Blogs, Indian Medical Visa

বাংলাদেশ থেকে ভারতের জন্য মেডিকেল ভিসা কীভাবে পাবেন – ধাপে ধাপে গাইড

Medical visa for India – A passport and flight tickets symbolizing international medical travel in 2025 for treatment in top hospitals.

ভারতে উন্নত চিকিৎসা, অভিজ্ঞ ডাক্তার ও সাশ্রয়ী খরচের কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসার জন্য ভারত যান।
কিন্তু অনেকেরই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন থাকে —

👉 ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা কীভাবে পাবো?
👉 কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
👉 কত সময় ও কত টাকা লাগবে?

এই গাইডে আপনি পাবেন ২০২6 সালের আপডেটেড, ধাপে-ধাপে সম্পূর্ণ তথ্য — একদম সহজ ভাষায়।

📞 বিনামূল্যে কনসাল্টেশন বুক করুন | 💬 হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করুন – ভারতের মেডিকেল ভিসার জন্য তাত্ক্ষণিক সহায়তা

ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা কী? (Indian Medical Visa Explained)

ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা হলো এমন একটি বিশেষ ভিসা, যা বিদেশি রোগীদের ভারতে চিকিৎসা গ্রহণের অনুমতি দেয়।

📌 টুরিস্ট ভিসায় চিকিৎসা নেওয়া বৈধ নয় — এজন্য মেডিকেল ভিসা বাধ্যতামূলক।

মেডিকেল ভিসার মূল সুবিধা

দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার জন্য উপযোগী

ভারতের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা

রোগীর সাথে সর্বোচ্চ ২ জন attendant

Multiple entry সুবিধা

কারা ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা নিতে পারেন?

বাংলাদেশি নাগরিকরা মেডিকেল ভিসা নিতে পারেন যদি:

  • ভারতে চিকিৎসার প্রয়োজন থাকে
  • হাসপাতাল থেকে invitation letter থাকে
  • বৈধ পাসপোর্ট ও মেডিকেল রিপোর্ট থাকে

বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে আমি কীভাবে ভারতের জন্য মেডিকেল ভিসা পাবো?

আপনাকে প্রথমে একজন ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনসহ চিকিৎসার উদ্দেশ্য প্রমাণ করতে হবে। এরপর একটি স্বীকৃত ভারতীয় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসার আমন্ত্রণপত্র (Medical Invitation Letter) নিতে হবে। এই চিঠি পাওয়ার পর অনলাইনে ভিসা আবেদন করতে হবে।

মেডিকেল ভিসার প্রকারভেদ

  • রেগুলার মেডিকেল ভিসা (চিকিৎসার জন্য)
  • ই-মেডিকেল ভিসা (জরুরি চিকিৎসার জন্য দ্রুত প্রসেসিং)

বাংলাদেশ থেকে ভারতের মেডিকেল ভিসা পাওয়ার ধাপসমূহ

ধাপ ১: যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:

  1. পাসপোর্ট (অন্তত ৬ মাস বৈধতা সহ)
  2. ভারতের মেডিকেল ভিসা ফর্ম (অনলাইনে পূরণ করুন)
  3. বাংলাদেশের ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন/রেফারেল লেটার
  4. ভারতের হাসপাতালের ইনভাইটেশন লেটার
  5. পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ২ কপি)
  6. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (আর্থিক সক্ষমতা প্রমাণ)
  7. ভিসা ফি পেমেন্ট রসিদ

⚠️ ডকুমেন্ট ভুল বা অসম্পূর্ণ হলে ভিসা দেরি হতে পারে।

বিশেষ নোট:

  • ই-ভিসা এর ক্ষেত্রে অনলাইনেই সবকিছু জমা দিতে হবে।
  • জরুরি চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল থেকে ইমার্জেন্সি লেটার প্রয়োজন।

ধাপ ২: অনলাইনে ভিসা আবেদন ফর্ম পূরণ

  1. ভারতীয় ভিসা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://indianvisaonline.gov.in/) ভিজিট করুন।
  2. “Medical Visa” অপশন সিলেক্ট করুন।
  3. ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করুন (ভুল এড়াতে নিচের টিপস দেখুন)।
  4. ফর্ম সাবমিট করে রেফারেন্স নম্বর নোট করুন।
  5. ভিসা ফি অনলাইনে পেমেন্ট করুন (ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড বা নেট ব্যাংকিং)।

ফর্ম পূরণের সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন:

✔ সমস্ত তথ্য ইংরেজিতে লিখুন।
✔ পাসপোর্টের তথ্য ১০০% মিল থাকতে হবে।
✔ হাসপাতালের নাম ও ঠিকানা সঠিকভাবে দিন।

ধাপ ৩: ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (IVAC) অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন

  1. অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং (https://www.vfsglobal.com/india/bangladesh/)
  2. প্রিন্ট আউট কনফার্মেশন স্লিপ।
  3. নির্ধারিত তারিখে ডকুমেন্টস জমা দিতে IVAC এ যান (ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেট)।

IVAC তে যা করতে হবে:

  • বায়োমেট্রিক ডাটা (ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফটো) দেওয়া হবে।
  • অরিজিনাল ডকুমেন্টস চেক করা হবে।
  • রিসিপ্ট সংগ্রহ করুন (ট্র্যাকিং এর জন্য)।

ধাপ ৪: ভিসা প্রসেসিং ও ট্র্যাকিং

  • সাধারণ প্রসেসিং সময়: ৩-৫ কর্মদিবস
  • জরুরি ভিসা: ২৪-৪৮ ঘণ্টা (ইমার্জেন্সি মেডিকেল কেসে)
  • অনলাইনে ট্র্যাক করুন: https://www.vfsglobal.com/india/bangladesh/track-application.html

ধাপ ৫: ভিসা সংগ্রহ ও ভ্রমণ প্রস্তুতি

ভারতের FRRO (Foreigners Regional Registration Office) রেজিস্ট্রেশন করুন যদি ১৮০ দিনের বেশি থাকতে হয়।নাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হতে পারে। সাক্ষাৎকার সফল হলে, আপনার পাসপোর্টে ভিসা স্ট্যাম্প করা হবে।

পাসপোর্ট ও ভিসা IVAC থেকে সংগ্রহ করুন।

ফ্লাইট বুকিং ও হাসপাতালের সাথে কনফার্ম করুন।

📞 বিনামূল্যে কনসাল্টেশন বুক করুন | 💬 হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করুন – ভারতের মেডিকেল ভিসার জন্য তাত্ক্ষণিক সহায়তা

ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা ফি কত? (2025 Updated)

Visa TypeDurationFee (USD)Approx. BDT
Medical Visa (Single Entry)Up to 6 months$13৳1,500
Medical Visa (Multiple Entry)Up to 1 year$20৳2,300
Medical Attendant VisaSame as patient$13৳1,500

📌 Exchange rate ও embassy update অনুযায়ী সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

👉 বিস্তারিত জানতে: ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা ফি কত (২০২6)

FAQ – সাধারণ প্রশ্ন

ভিসা এক্সটেন্ড করা যায় কি?

হ্যাঁ, ভারতের FRRO অফিস থেকে হাসপাতালের সুপারিশে এক্সটেনশন করা যায়।

কোন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া যাবে?

ভারত সরকার অনুমোদিত হাসপাতালে (যেমন: Apollo, Fortis, AIIMS, Medanta ইত্যাদি)।

অনলাইনে ভারতের মেডিকেল ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করব?

সরকারি ওয়েবসাইটে আবেদন করুন:
🔗 https://indianvisaonline.gov.in

একজন রোগী কতজন সহচর (অ্যাটেনডেন্ট) নিয়ে যেতে পারেন?

ভারতীয় নিয়ম অনুযায়ী, একজন রোগীর সাথে সর্বোচ্চ ২ জন সহচর যেতে পারেন, যাদের জন্য আলাদা Medical Attendant Visa প্রদান করা হয়।

মেডিকেল ভিসার মেয়াদ কতদিন?

সাধারণত ৬ মাস পর্যন্ত বৈধ থাকে। তবে চিকিৎসার প্রয়োজন অনুযায়ী ভারতে অবস্থান করে FRRO অফিসের মাধ্যমে এটি বর্ধিত (extend) করা যেতে পারে।

মেডিকেল ভিসার ফি কত?

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেডিকেল ভিসার ফি সাধারণত INR 1000 থেকে 2000 (প্রায় ১৫০০–২৫০০ টাকা) পর্যন্ত হয়। ফি পরিবর্তন হতে পারে, তাই আবেদন করার সময় সর্বশেষ ফি দেখে নিতে হবে।

আমি কি ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনে যেতে হবে?

হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক বা সাক্ষাৎকারের জন্য আপনাকে ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বা কনস্যুলেট, চট্টগ্রাম/রাজশাহী যেতে হতে পারে।

আমি কীভাবে দ্রুত ভিসা পেতে পারি?

বিশ্বস্ত হাসপাতাল বা মেডিকেল ফ্যাসিলিটেটর যেমন Shifam Health-এর মাধ্যমে আবেদন করলে তারা দ্রুত আমন্ত্রণপত্র জোগাড় করে দেবে এবং সম্পূর্ণ ভিসা প্রসেসিংয়ে সাহায্য করবে।

কি হলে আমার মেডিকেল ভিসার আবেদন বাতিল (rejected) হতে পারে?

কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকলে
ভুল বা অসত্য তথ্য দিলে
পূর্বে ভিসা আইন লঙ্ঘন করে থাকলে
নির্ভরযোগ্য হাসপাতালের আমন্ত্রণপত্র না থাকলে

ভারতের কোন কোন চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ভিসা পাওয়া যায়?

  • হার্ট সার্জারি (Bypass, Valve replacement)
  • কিডনি বা লিভার ট্রান্সপ্লান্ট
  • ক্যান্সার চিকিৎসা
  • IVF বা বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা
  • অস্থি ও জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট
  • নিউরোসার্জারি
  • জেনারেল সার্জারি বা কসমেটিক সার্জারি (যদি মেডিকেল দরকার হয়)

সতর্কতা ও গুরুত্বপূর্ণ টিপস

❌ ভিসা এজেন্টদের ফাঁদে পড়বেন না – সরাসরি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।
✔ হাসপাতালের সাথে আগে থেকে যোগাযোগ করুন – ভালো ডাক্তার ও ট্রিটমেন্ট প্ল্যান ঠিক করুন।
✔ ভারত যাওয়ার আগে ট্রাভেল ইন্সুরেন্স করুন (অপ্রত্যাশিত খরচ কভার করার জন্য)।

ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা vs টুরিস্ট ভিসা – কোনটি ভালো?

ফিচার মেডিকেল ভিসা টুরিস্ট ভিসা
মেয়াদ ১ বছর (এক্সটেন্ডযোগ্য) সাধারণত ৬ মাস
এন্ট্রি মাল্টিপল সিঙ্গল/ডাবল
অ্যাটেন্ডেন্ট ২ জন নেওয়া যায় না
হাসপাতাল সুবিধা চিকিৎসা প্রমাণ দিতে হবে প্রযোজ্য নয়

সিদ্ধান্ত: চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ভিসা নেওয়াই ভালো, কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদী ও এক্সটেনশন সুবিধা দেয়।

📞 বিনামূল্যে কনসাল্টেশন বুক করুন | 💬 হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করুন – ভারতের মেডিকেল ভিসার জন্য তাত্ক্ষণিক সহায়তা

ভারতের মেডিকেল ভিসার খরচ কত?

আইটেম খরচ (আনুমানিক)
ভিসা ফি ১০০ – ১৫০ USD
VFS সার্ভিস চার্জ ২০ – ৩০ USD
মেডিকেল টেস্ট/ডকুমেন্ট ৫০ – ১০০ USD
মোট আনুমানিক খরচ ২০০ – ৩০০ USD

ভারতের মেডিকেল ভিসা পাওয়ার জন্য শীর্ষ হাসপাতালের তালিকা

ভারতে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য আপনাকে ভারত সরকার অনুমোদিত হাসপাতাল বেছে নিতে হবে। কিছু বিশ্বস্ত হাসপাতালের মধ্যে রয়েছে:

  • অ্যাপোলো হসপিটালস (দিল্লি, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ)
  • ফর্টিস হসপিটাল (গুরগাঁও, মুম্বাই)
  • এম्स (AIIMS) (দিল্লি)
  • ম্যাক্স হসপিটাল (দিল্লি, মোহালি)
  • মেদান্তা হসপিটাল (গুরগাঁও)

এই হাসপাতালগুলো থেকে ইনভাইটেশন লেটার সংগ্রহ করলে ভিসা প্রসেসিং সহজ হয়।

কেন ভারত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের রোগীদের প্রথম পছন্দ?

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার রোগী ভারতে চিকিৎসা নিতে যান। এর মূল কারণ হলো ভারতের হাসপাতালগুলোর উন্নত প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ চিকিৎসক, এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে মানসম্মত সেবা। দিল্লি, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, এবং কলকাতার মতো শহরগুলোতে ক্যান্সার, হৃদরোগ, অঙ্গ প্রতিস্থাপনসহ নানা জটিল রোগের চিকিৎসা বিশ্বমানের পর্যায়ে হয়। এই কারণেই বাংলাদেশের বহু রোগী ভারতের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে ভরসাযোগ্য মনে করেন।

ভারতের মেডিকেল ভিসা রjected হলে কী করবেন?

যদি আপনার ভিসা রিজেক্ট হয়, তাহলে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. রিজেকশন রিজন চেক করুন (ভিসা অফিস থেকে জানুন)।
  2. অপূর্ণ ডকুমেন্ট থাকলে সঠিক করে জমা দিন
  3. হাসপাতাল থেকে নতুন ইনভাইটেশন লেটার নিন (যদি পুরোনোটিতে সমস্যা থাকে)।
  4. পুনরায় আবেদন করুন (কমপক্ষে ১ সপ্তাহ পর)।

📞 বিনামূল্যে কনসাল্টেশন বুক করুন | 💬 হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করুন – ভারতের মেডিকেল ভিসার জন্য তাত্ক্ষণিক সহায়তা

ভারতে গিয়ে FRRO রেজিস্ট্রেশন কেন জরুরি?

আপনি যদি ১৮০ দিনের বেশি ভারতে থাকেন, তাহলে FRRO (Foreigners Regional Registration Office) তে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এটি না করলে জরিমানা বা ডিপোর্ট হতে পারেন।

FRRO রেজিস্ট্রেশনের জন্য ডকুমেন্টস:

  • পাসপোর্ট ও ভিসা কপি
  • হাসপাতালের লেটার
  • ভারতীয় ঠিকানার প্রমাণ (হোটেল/রেন্টাল এগ্রিমেন্ট)

ভিসা প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা হলে কী করবেন?

মেডিকেল ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় অনেক সময় ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ ডকুমেন্ট, বা সময়মতো হেলথ চেক রিপোর্ট না থাকায় আবেদন বাতিল হতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় পড়লে প্রথমেই ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে যোগাযোগ করুন, অথবা অভিজ্ঞ মেডিকেল ভিসা কনসালটেন্সি সার্ভিস, যেমন Shifam Health-এর সাহায্য নিন। তারা প্রয়োজনীয় গাইডলাইন, ডকুমেন্ট চেকলিস্ট, এমনকি হাসপাতাল থেকে ইনভিটেশন লেটার পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহায়তা করে থাকে।

শেষ কথা

ভারতে চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ যদি আপনি ধাপগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করেন। এই গাইডে আমরা ডকুমেন্ট প্রস্তুতি থেকে ভিসা সংগ্রহ পর্যন্ত সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

আপনার যদি আরও প্রশ্ন থাকে, নিচে কমেন্ট করুন অথবা ShifaM Health কে কন্টাক্ট করুন – আমরা আপনাকে সঠিক গাইডলাইন দেব। Read more…

ভারতে সুস্থ হয়ে ফিরুন, শুভ যাত্রা হোক!

📞 বিনামূল্যে কনসাল্টেশন বুক করুন | 💬 হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করুন – ভারতের মেডিকেল ভিসার জন্য তাত্ক্ষণিক সহায়তা

One thought on “বাংলাদেশ থেকে ভারতের জন্য মেডিকেল ভিসা কীভাবে পাবেন – ধাপে ধাপে গাইড

  1. I got what you mean ,saved to bookmarks, very nice web site.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *